সৃজনশীল প্রতিভার উন্মেষ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক বিকাশ
সংগীত মানুষের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে এবং একাগ্রতা বৃদ্ধি করে। আমাদের সংগীত পাঠক্রমে রয়েছে প্রাথমিক কণ্ঠশীলন, শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রাথমিক তালিম, তানপুরা ও হারমোনিয়াম সহযোগে রাগ অনুশীলন, এবং সমৃদ্ধ রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীতের নিবিড় পাঠ।
নৃত্য কেবল শরীরচর্চা নয়, এটি শারীরিক ভাষা ও অভিব্যক্তির সর্বোচ্চ শিল্পরূপ। আমাদের প্রশিক্ষণার্থীরা কত্থক, ভরতনাট্যম ও সমৃদ্ধ লোকনৃত্যের তালিম পেয়ে থাকে, যা তাদের আত্মবিশ্বাস ও শারীরিক ভারসাম্যের বিকাশ ঘটায়।
স্পষ্ট উচ্চারণ এবং সুন্দর বাচনভঙ্গি একজন শিক্ষার্থীকে সমাজে আত্মবিশ্বাসী করে তোলে। প্রমিত বাংলা উচ্চারণরীতি, স্বরক্ষেপণ, জ্যোতিচিহ্নের সঠিক প্রয়োগ এবং কবিতার অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশের নান্দনিক কৌশল শেখানো হয়।
চিত্রাঙ্কন শিশুদের পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা এবং নান্দনিক চেতনার বিকাশ ঘটায়। রেখাচিত্র, রঙের পরিচিতি, মুক্তহস্তে স্কেচ, জলরং ও প্যাস্টেল রঙের সাহায্যে কল্পনার চিত্রায়ণ শেখানো হয়।
অভিনয় চরিত্র গঠনে ও সহমর্মিতা তৈরিতে ভূমিকা রাখে। মঞ্চ নাটক, মূকাভিনয়, সংলাপ প্রক্ষেপণ ও চরিত্রায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দলগত শৃঙ্খলা শেখানো হয়।
বইপড়া ও লেখার অভ্যাস মনকে সমৃদ্ধ করে। নিয়মিত সাহিত্য আড্ডা, গল্প ও কবিতা লেখার কর্মশালা এবং দেয়ালিকা প্রকাশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখনী শক্তিকে শাণিত করা হয়।